গোপনে নয়, নিরাপদে রেকর্ড করুন হোয়াটসঅ্যাপ কল!
বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম WhatsApp। ব্যক্তিগত আলাপ, অফিস মিটিং কিংবা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে প্রতিদিনই এই অ্যাপ ব্যবহার করছেন কোটি কোটি মানুষ। অনেক সময় প্রয়োজনীয় কথোপকথন ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করে রাখার দরকার পড়ে। আর তখনই প্রয়োজন হয় হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করার উপায় জানার।
যদিও WhatsApp-এ সরাসরি কল রেকর্ডিংয়ের কোনো অফিসিয়াল ফিচার নেই, তবুও কিছু সহজ কৌশল ব্যবহার করে অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন—দুই ধরনের ডিভাইসেই কল রেকর্ড করা সম্ভব।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে যেভাবে কল রেকর্ড করবেন
বর্তমানের বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেই বিল্ট-ইন স্ক্রিন রেকর্ডার সুবিধা থাকে। এই ফিচার ব্যবহার করেই সহজে হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করা যায়।
প্রথমে ফোনের স্ক্রিন রেকর্ডার চালু করুন। এরপর “রেকর্ড অডিও” বা “ইন্টারনাল অডিও” অপশন চালু আছে কি না নিশ্চিত করুন। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে কল শুরু করুন। কল শেষ হলে রেকর্ডিংটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্যালারিতে সংরক্ষিত হবে।
তবে কিছু স্মার্টফোনে নিরাপত্তাজনিত কারণে ইন্টারনাল অডিও রেকর্ড হয় না। সেক্ষেত্রে স্পিকার মোড চালু করে কল রেকর্ড করতে হতে পারে।
থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
যদি ফোনের নিজস্ব স্ক্রিন রেকর্ডার ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে Google Play স্টোরে থাকা বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
এসব অ্যাপ স্ক্রিনের পাশাপাশি অডিও রেকর্ড করার সুবিধা দেয়। তবে অ্যাপ ডাউনলোডের আগে অবশ্যই এর রিভিউ, প্রাইভেসি পলিসি ও পারমিশন যাচাই করা জরুরি। কারণ কিছু ভুয়া অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে।
আইফোনে কল রেকর্ড করা তুলনামূলক কঠিন
Apple-এর কঠোর নিরাপত্তানীতির কারণে আইফোনে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করা সহজ নয়। আইওএসে বিল্ট-ইন কল রেকর্ডিং ফিচারও নেই।
তবে অনেক ব্যবহারকারী ম্যাকবুকের সাহায্যে কল রেকর্ড করেন। এছাড়া অন্য একটি ডিভাইস ব্যবহার করে স্পিকার মোডে কথোপকথন রেকর্ড করার পদ্ধতিও বেশ জনপ্রিয়। যদিও এতে অডিওর মান কিছুটা কমে যেতে পারে।
অনুমতি ছাড়া রেকর্ড করা ঝুঁকিপূর্ণ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারও কল রেকর্ড করার আগে অবশ্যই তার অনুমতি নেওয়া উচিত। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুমতি ছাড়া কল রেকর্ড করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাই প্রয়োজন ছাড়া গোপনে কল রেকর্ড না করাই ভালো।
রেকর্ডিং নিরাপদে রাখুন
কল রেকর্ডিংয়ে অনেক সময় ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য থাকতে পারে। তাই এসব ফাইল নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা জরুরি। প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ব্যবহার করতে পারেন, যাতে অন্য কেউ অপব্যবহার করতে না পারে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!