বিত্ত–বৈভব নয়, জীবনের আসল মূল্য যেখানে
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী গাড়ি, বিলাসবহুল বাড়ি, অগণিত ব্যাংক হিসাব কিংবা বিশ্বজোড়া খ্যাতি—সবকিছু থাকা সত্ত্বেও জীবন যে এক মুহূর্তেই শূন্য হয়ে যেতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ রেখে গেছেন পৃথিবীখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ও লেখক কিরজেইডা রডরিগুয়েজ।
মৃত্যুর আগে লেখা এক আবেগঘন নোটে তিনি তুলে ধরেছেন জীবনের নির্মম সত্য। একসময় যাঁর গ্যারাজে ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে দামি গাড়ি, যিনি ব্যক্তিগত জেটে ঘুরে বেড়াতেন দেশ থেকে দেশে, আজ তাঁকে বসে থাকতে হয়েছে হুইলচেয়ারে। বিলাসী পোশাক আর ডিজাইনার জুতোর বদলে তাঁর শরীর ঢাকা ছিল হাসপাতালের একটি সাধারণ চাদরে।
একসময় পাঁচতারকা হোটেলে যাঁর দিন কাটত, আজ তাঁর সময় কেটেছে হাসপাতালের এক পরীক্ষা কক্ষ থেকে আরেক পরীক্ষাগারে। অগণিত মানুষের অটোগ্রাফ দেওয়া মানুষটির জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ হয়ে উঠেছিল চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন। সারা পৃথিবীর খাবারের স্বাদ নেওয়া মানুষটির আহার সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছিল দিনে কয়েকটি ওষুধ আর স্যালাইনে।
অঢেল সম্পদ, প্রাসাদসম বাড়ি, সুনাম-খ্যাতি—কিছুই আর তাঁকে স্বস্তি দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত শুধু প্রিয় মানুষদের মুখ, তাদের স্পর্শ আর ভালোবাসাই ছিল একমাত্র আশ্রয়।
এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের প্রকৃত সম্পদ বস্তুগত নয়। মাথার ওপর একটি ছাদ, সুস্থ শরীর, সচল পা আর পাশে আপন মানুষ—এই নিয়েই আসলে সুখ। দামি গাড়ি বা বিলাসিতার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান মানবিক সম্পর্ক, ভালোবাসা, সহমর্মিতা।
তাই যা নেই তা নিয়ে আফসোস নয়, বরং যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা শেখা জরুরি। কারণ একদিন এমন সময় আসতে পারে, যখন অর্থ বা ঐশ্বর্যের চেয়ে মানুষের উপস্থিতিই হয়ে উঠবে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী গাড়ি, বিলাসবহুল বাড়ি, অগণিত ব্যাংক হিসাব কিংবা বিশ্বজোড়া খ্যাতি—সবকিছু থাকা সত্ত্বেও জীবন যে এক মুহূর্তেই শূন্য হয়ে যেতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ রেখে গেছেন পৃথিবীখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ও লেখক কিরজেইডা রডরিগুয়েজ।
মৃত্যুর আগে লেখা এক আবেগঘন নোটে তিনি তুলে ধরেছেন জীবনের নির্মম সত্য। একসময় যাঁর গ্যারাজে ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে দামি গাড়ি, যিনি ব্যক্তিগত জেটে ঘুরে বেড়াতেন দেশ থেকে দেশে, আজ তাঁকে বসে থাকতে হয়েছে হুইলচেয়ারে। বিলাসী পোশাক আর ডিজাইনার জুতোর বদলে তাঁর শরীর ঢাকা ছিল হাসপাতালের একটি সাধারণ চাদরে।
একসময় পাঁচতারকা হোটেলে যাঁর দিন কাটত, আজ তাঁর সময় কেটেছে হাসপাতালের এক পরীক্ষা কক্ষ থেকে আরেক পরীক্ষাগারে। অগণিত মানুষের অটোগ্রাফ দেওয়া মানুষটির জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ হয়ে উঠেছিল চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন। সারা পৃথিবীর খাবারের স্বাদ নেওয়া মানুষটির আহার সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছিল দিনে কয়েকটি ওষুধ আর স্যালাইনে।
অঢেল সম্পদ, প্রাসাদসম বাড়ি, সুনাম-খ্যাতি—কিছুই আর তাঁকে স্বস্তি দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত শুধু প্রিয় মানুষদের মুখ, তাদের স্পর্শ আর ভালোবাসাই ছিল একমাত্র আশ্রয়।
এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের প্রকৃত সম্পদ বস্তুগত নয়। মাথার ওপর একটি ছাদ, সুস্থ শরীর, সচল পা আর পাশে আপন মানুষ—এই নিয়েই আসলে সুখ। দামি গাড়ি বা বিলাসিতার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান মানবিক সম্পর্ক, ভালোবাসা, সহমর্মিতা।
তাই যা নেই তা নিয়ে আফসোস নয়, বরং যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা শেখা জরুরি। কারণ একদিন এমন সময় আসতে পারে, যখন অর্থ বা ঐশ্বর্যের চেয়ে মানুষের উপস্থিতিই হয়ে উঠবে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
Comment / Reply From
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!