Dark Mode
Image
  • Wednesday, 10 June 2026
হজে সুস্থ থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের বিশেষ প্রস্তুতি দরকার

হজে সুস্থ থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের বিশেষ প্রস্তুতি দরকার

পবিত্র Hajj পালনের জন্য শারীরিক সক্ষমতা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা Diabetes–এ আক্রান্ত, তাদের জন্য আগে থেকেই সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। তবে শুধু ডায়াবেটিক রোগী নয়, সুস্থ ব্যক্তিদেরও কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য করণীয়

হজে যাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রক্তে শর্করার মাত্রা ও HbA1c নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি। প্রয়োজনে ওষুধ বা ইনসুলিনের ডোজ সমন্বয় করতে হতে পারে।

ভ্রমণের সময় সঙ্গে রাখতে হবে পর্যাপ্ত ইনসুলিন, প্রয়োজনীয় ওষুধ, গ্লুকোমিটার, স্ট্রিপ, প্রেসক্রিপশন ও মেডিকেল আইডি। গরম আবহাওয়ায় ইনসুলিন সংরক্ষণে বিশেষ সতর্কতা দরকার—এক্ষেত্রে ইনসুলিন কুলার বা ঠান্ডা ব্যাগ ব্যবহার করা ভালো।

হজের সময় অতিরিক্ত হাঁটা ও অনিয়মিত খাবারের কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা হাইপারগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। তাই সঙ্গে রাখতে হবে চিনি, খেজুর বা গ্লুকোজ ট্যাবলেট এবং সময়মতো খাবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

পায়ের যত্নেও অবহেলা করা যাবে না। আরামদায়ক জুতা পরা, প্রতিদিন পা পরীক্ষা করা এবং ছোট ক্ষত বা ফোসকা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করে শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে হবে। অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করলে বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন।

ডায়াবেটিস না থাকলেও যা মানবেন

যাঁদের ডায়াবেটিস নেই, তাঁদেরও হজের আগে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টের ইতিহাস থাকলে সতর্ক থাকতে হবে।

হজে দীর্ঘসময় হাঁটতে হয়, তাই আগে থেকেই নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। এতে সহনশীলতা বাড়বে এবং ক্লান্তি কম হবে।

গরম আবহাওয়ায় হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ছাতা বা ক্যাপ ব্যবহার করুন এবং হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় টিকা, যেমন মেনিনজোকক্কাল ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত।

সবসময় পরিচয়পত্র ও জরুরি যোগাযোগ নম্বর সঙ্গে রাখুন। ভিড়ের মধ্যে সতর্ক থাকুন এবং দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করুন। কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে হজ পালন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হতে পারে।

Comment / Reply From