Dark Mode
Image
  • Saturday, 28 March 2026
প্লাটিলেট কমে গেলে কী খাবেন? কার্যকর খাবারের তালিকা

প্লাটিলেট কমে গেলে কী খাবেন? কার্যকর খাবারের তালিকা

বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু জ্বরসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা কমে যাওয়ার সমস্যা বেশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। প্লাটিলেট হলো রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। একজন সুস্থ মানুষের প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে সাধারণত দেড় লাখ থেকে চার লাখ পর্যন্ত প্লাটিলেট থাকা প্রয়োজন।

প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে শরীরে দুর্বলতা, সহজে আঘাত পাওয়া, এমনকি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও গুরুতর আকার ধারণ করে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের মাধ্যমে অনেকটাই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

পেঁপে ও পেঁপে পাতার রস

গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গু রোগীদের রক্তে প্লাটিলেট দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ পেঁপে পাতার রস ও পাকা পেঁপের জুস খেলে উপকার পাওয়া যায়।

মিষ্টিকুমড়া ও এর বীজ

মিষ্টিকুমড়ায় থাকা ভিটামিন ‘এ’ প্লাটিলেট তৈরিতে সহায়ক। একই সঙ্গে এর বীজেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা রক্তের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

পালংশাক

ভিটামিন ‘কে’ ও ফোলেটসমৃদ্ধ পালংশাক প্লাটিলেট বৃদ্ধিতে কার্যকর। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এটি রাখা উপকারী।

লেবুর রস

ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ লেবুর রস প্লাটিলেট বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।

আমলকী

আমলকীতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ‘সি’ প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিটের রস

বিটের রস শরীরকে ফ্রি-র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং দ্রুত প্লাটিলেট বাড়াতে সহায়তা করে।

অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী)

অ্যালোভেরার রস রক্ত বিশুদ্ধ রাখতে সহায়ক এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ডালিম

আয়রন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ ডালিম রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরের দুর্বলতা দূর করে।

সতর্কতা যা মানা জরুরি

ডেঙ্গু রোগীর হজমশক্তি কমে যাওয়ায় তেল-চর্বিযুক্ত ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তবে পর্যাপ্ত আমিষ যেমন মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে প্লাটিলেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই অসুস্থতার সময় সচেতন থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Comment / Reply From