ফোন স্লো? এই ৪ সেটিংস বদলালেই মিলবে দ্রুত পারফরম্যান্স
জরুরি মুহূর্তে স্মার্টফোন হ্যাং করলে বিরক্তি চরমে পৌঁছায়। অফিসের কাজ, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগ—সবকিছুতেই এখন ফোন অপরিহার্য। তাই ডিভাইসকে দ্রুত ও স্মুথ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই জানেন না, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ডেভেলপার অপশনে থাকা কিছু সেটিংস পরিবর্তন করলেই পারফরম্যান্সে চোখে পড়ার মতো উন্নতি আনা সম্ভব।
চলুন দেখে নেওয়া যাক কার্যকর চারটি সেটিংস—
১. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস সীমিত করুন
একসঙ্গে অনেক অ্যাপ চালু থাকলে প্রসেসর ও র্যামের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। ডেভেলপার অপশনে গিয়ে ‘Background process limit’ কমিয়ে ২ বা তার কম করে দিলে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলবে না। এতে ফোন দ্রুত সাড়া দেয় এবং হ্যাং হওয়ার প্রবণতা কমে।
২. লগার বাফারের আকার কমান
ডিভাইসের বিভিন্ন কার্যক্রম সংরক্ষণের জন্য বড় লগার বাফার ব্যবহৃত হয়। এটি বেশি মেমোরি দখল করতে পারে। সেটিংস থেকে এটি ৬৪কে বা ২৫৬কে-তে নামিয়ে আনলে মেমোরির চাপ কিছুটা কমে। প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ রাখাও যেতে পারে।
৩. ফোর্স পিক রিফ্রেশ রেট চালু করুন
যেসব ফোন উচ্চ রিফ্রেশ রেট (যেমন ৯০Hz বা ১২০Hz) সমর্থন করে, সেখানে ‘Force peak refresh rate’ চালু করলে স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশন আরও মসৃণ হয়। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া বা গেমিংয়ের সময় পার্থক্য বোঝা যায়। তবে এতে ব্যাটারি খরচ কিছুটা বাড়তে পারে—এ বিষয়টি মাথায় রাখা ভালো।
৪. অ্যানিমেশন স্কেল কমিয়ে দিন
অ্যাপ ট্রানজিশন ও মেনু অ্যানিমেশন দেখতে ভালো লাগলেও, এগুলো কম ক্ষমতার ফোনকে ধীর করে দিতে পারে। ডেভেলপার অপশনে গিয়ে Window animation scale, Transition animation scale এবং Animator duration scale কমিয়ে ০.৫x বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিলে ফোন দ্রুত ও স্মুথভাবে কাজ করবে।
ডেভেলপার অপশন কীভাবে চালু করবেন?
সেটিংস > About Phone > Build Number-এ ৭ বার ট্যাপ করলে ডেভেলপার অপশন চালু হয় (ফোনভেদে ভিন্ন হতে পারে)। এরপর সিস্টেম সেটিংসে গিয়ে Developer Options-এ প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করুন।
ছোট কিছু পরিবর্তনেই বড় সুবিধা মিলতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ও ভারী অ্যানিমেশন কমিয়ে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে রাখুন দ্রুত ও কার্যকর।
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!