গরমে আরাম পেতে কোন আইসক্রিম বেছে নেবেন?
প্রচণ্ড গরমে ঠান্ডা কিছু খেতে মন চাইলে অনেকের প্রথম পছন্দ থাকে আইসক্রিম। একদিকে এটি মুহূর্তেই স্বস্তি দেয়, অন্যদিকে অতিরিক্ত খেলে শরীরের জন্য কিছুটা ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই গরমে আইসক্রিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক নির্বাচন ও সচেতনতা জরুরি।
আইসক্রিমে সাময়িক স্বস্তি, কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে
আইসক্রিম খেলে শরীরে সাময়িক ঠান্ডা অনুভূতি তৈরি হয়। তবে দীর্ঘ সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে হলে ভেতর থেকে হাইড্রেট থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেসব আইসক্রিমে পানির পরিমাণ বেশি থাকে, সেগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি সময় স্বস্তি দিতে পারে।
কেন সব আইসক্রিম ভালো নয়
বেশিরভাগ আইসক্রিম দুধ, চিনি ও চকলেটজাত উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। এসব উপাদান হজম করতে শরীরের অতিরিক্ত পানি প্রয়োজন হয়, ফলে আইসক্রিম খাওয়ার পর পিপাসা বেড়ে যেতে পারে।
এছাড়া বিপাকক্রিয়ার সময় শরীরে তাপ উৎপন্ন হয়, যা গরমের অস্বস্তি আরও বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত আইসক্রিম খেলে ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকিও থাকে।
প্রচণ্ড গরমে খুব ঠান্ডা খাবার খেলে শরীরের তাপমাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন ঘটে, যা সর্দি বা ঠান্ডা লাগার কারণ হতে পারে।
গরমে কোন আইসক্রিম বেছে নেবেন
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে এমন আইসক্রিম খাওয়া ভালো যেগুলোতে পানির পরিমাণ বেশি এবং চিনি কম। ফলের রস দিয়ে তৈরি আইসক্রিম বা পপসিকল এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো বিকল্প।
ফলের প্রাকৃতিক মিষ্টতা শরীরের জন্য তুলনামূলক কম ক্ষতিকর এবং সহজে হজম হয়। এতে ক্যালরির পরিমাণও কম থাকে এবং শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
চাইলে বাড়িতেই ফলের রস দিয়ে সহজে পপসিকল তৈরি করা যায়। লেবু বা পুদিনা স্বাদের আইসক্রিম গরমে বেশি সতেজ অনুভূতি দেয়।
কখন আইসক্রিম খাওয়া ভালো
প্রচণ্ড রোদে বা খুব গরম অবস্থায় হঠাৎ আইসক্রিম খাওয়া ঠিক নয়। বাইরে থেকে এসে কিছুক্ষণ ছায়ায় বিশ্রাম নেওয়ার পর আইসক্রিম খেলে শরীরের ওপর চাপ কম পড়ে এবং ঠান্ডা লাগার ঝুঁকিও কমে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!