নবীনগরে স্কোয়াশ চাষ: নতুন আয়ের দিগন্ত 🥒
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার Nabinagar Upazila-তে শীত মৌসুমে কৃষিজমি ভরে উঠেছে নানা ধরনের সবজিতে। প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এবার পরীক্ষামূলকভাবে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্যের ইঙ্গিত
কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রায় ২ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও আশাব্যঞ্জক। বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা গ্রামের কৃষক কুদ্দুস মিয়া প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন।
বীজ বপনের মাত্র ৪০ দিনের মধ্যেই তিনি প্রথম দফায় ১০ কেজি স্কোয়াশ সংগ্রহ করেন। এরপর আরও ৪৫ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় ৪৩ কেজি উৎপাদন করতে সক্ষম হন।
নারী কৃষকের সফলতা
একই উপজেলার আলমনগর গ্রামের কৃষাণী মুর্শেদা বেগমও স্কোয়াশ চাষে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে এই সবজি আবাদ করে তিনি কম সময়েই ভালো ফলনের আশা করছেন।
তিনি জানান, এক বিঘা জমিতে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং ১০০ দিনের মধ্যেই ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজারে বাড়ছে চাহিদা
Squash vegetable দেখতে শসার মতো হলেও এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি স্কোয়াশ ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম ভালো থাকায় কৃষকরাও এই ফসলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
কৃষি বিভাগের সহায়তা
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে স্কোয়াশ চাষে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে এই নতুন ফসলের চাষ আরও বিস্তৃত হয়।
ভবিষ্যতের সম্ভাবনা
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কোয়াশ একটি দ্রুত ফলনশীল ও উচ্চমূল্যের সবজি। নবীনগরের মাটি ও আবহাওয়া এই ফসলের জন্য উপযোগী হওয়ায় এটি ভবিষ্যতে একটি লাভজনক অর্থকরী ফসলে পরিণত হতে পারে।
জমির আইল, বসতবাড়ির আশপাশ কিংবা পতিত জমিতেও সহজে এই চাষ করা সম্ভব—যা কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!