Dark Mode
Image
  • Tuesday, 10 February 2026
আবহাওয়া বদলের সময়ে অসুস্থতা এড়াতে মানুন এই নিয়মগুলো

আবহাওয়া বদলের সময়ে অসুস্থতা এড়াতে মানুন এই নিয়মগুলো

ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। ভোর ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও দুপুরে রোদের তাপে শীতের আমেজ আর তেমন থাকছে না। এই ঋতু পরিবর্তনের সময়েই সবচেয়ে বেশি বাড়ে নানা রোগের ঝুঁকি। একটু অসতর্ক হলেই দেখা দিতে পারে সর্দি-কাশি, জ্বর, পেটের সমস্যা কিংবা শ্বাসজনিত জটিলতা। তাই এই সময়ে শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের শেষে ও বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার হঠাৎ ওঠানামা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। বাতাসে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার সহজ হয়। শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাস নাকের ভেতরের মিউকাস স্তর শুকিয়ে দেয়, ফলে জীবাণু খুব সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

এই সময়ে যে সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়

সর্দি-কাশি ও ভাইরাসজনিত জ্বর
ঋতু পরিবর্তনের সময় সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো সর্দি, কাশি ও জ্বর। দিনে গরম আর রাতে ঠান্ডা—এই বৈপরীত্যপূর্ণ আবহাওয়ায় অ্যালার্জির প্রবণতাও বাড়ে। ধুলোবালির পরিমাণ বেশি থাকায় হাঁচি, গলাব্যথা ও নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

পেটের সমস্যা
শীতের শেষে হজমশক্তি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের ডায়রিয়া, গ্যাস বা বদহজমের সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে বাসি বা অপরিষ্কার খাবার খেলে।

চিকেন পক্সের ঝুঁকি
বসন্তের আগমনের ঠিক আগে চিকেন পক্স বা বসন্ত রোগের প্রকোপ বাড়তে দেখা যায়। শুরুতে জ্বর, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা দেখা দিলেও পরে শরীরে ফুসকুড়ি ও চুলকানি শুরু হয়।

শ্বাসজনিত সমস্যা
যাদের হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই সময়টা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বাতাসে থাকা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সহজেই শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

সুস্থ থাকতে যা করবেন

হঠাৎ গরম লাগলেও একেবারে ঠান্ডা পানি পান করা এড়িয়ে চলুন।

গরম জায়গা থেকে এসিতে বারবার যাতায়াত করা বা সামান্য গরমে ফ্যান চালানো ঠিক নয়।

সর্দি-কাশি ও সংক্রমণ এড়াতে বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।

বাইরে থেকে ফিরে ও খাবার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।

শিশুদের জ্বর, সর্দি বা কাশি থাকলে স্কুলে না পাঠানোই ভালো, এতে সংক্রমণ ছড়ানো কমে।

শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সের মানুষেরই পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

ফল, সবজি ও অন্যান্য খাবার টাটকা খেতে হবে। বাসি বা দীর্ঘক্ষণ রাখা খাবার এড়িয়ে চলুন।

Comment / Reply From