দুই সহজ উপায়ে আঙুরের কীটনাশক দূর করুন
স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় আঙুর বেশ জনপ্রিয়। তবে পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি খাওয়ার আগে একটু বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ যেসব ফল ও সবজিতে সবচেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকার ঝুঁকি থাকে, আঙুর তার অন্যতম। তাই আঙুর খাওয়ার আগে সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো খবর হলো—আঙুর পরিষ্কারের জন্য আলাদা কোনো রাসায়নিক ক্লিনারের দরকার নেই। রান্নাঘরেই থাকা কিছু সহজ ও খাদ্যনিরাপদ উপকরণ ব্যবহার করেই দূর করা যায় ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ।
আঙুর ধোয়ার সঠিক সময় ও সতর্কতা
বাজার থেকে এনে সব আঙুর একসঙ্গে ধুয়ে রাখা ঠিক নয়। আগে থেকে ধুয়ে রাখলে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে এবং আঙুর তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তাই সবচেয়ে ভালো হয়—খাওয়ার ঠিক আগেই প্রয়োজনীয় পরিমাণ আঙুর ধুয়ে নেওয়া।
আঙুর পরিষ্কারের জন্য নিচের যেকোনো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।
১. লবণ ও বেকিং সোডা দিয়ে আঙুর ধোয়া
এই পদ্ধতিটি সহজ, দ্রুত এবং বেশ কার্যকর।
ধাপ ১: খাওয়ার জন্য নেওয়া আঙুরগুলো প্রথমে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।
ধাপ ২: একটি বাটিতে আঙুর রেখে তার ওপর ১ চা-চামচ লবণ ও ১ চা-চামচ বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন।
ধাপ ৩: আঙুল দিয়ে আলতো করে নেড়ে প্রায় ১ মিনিট ঘষে নিন।
ধাপ ৪: এরপর ছাঁকনি বা কোলান্ডারে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
ধাপ ৫: পরিষ্কার কাপড়ে মুছে নিয়ে খেতে পারেন।
২. ভিনেগার ও বেকিং সোডা দিয়ে আঙুর ধোয়া
যাঁরা ভিনেগার ব্যবহার করে ফল পরিষ্কার করতে স্বচ্ছন্দ, তাঁদের জন্য এই পদ্ধতি কার্যকর।
ধাপ ১: প্রয়োজনীয় আঙুর একটি বাটিতে রাখুন।
ধাপ ২: আঙুর ডুবে যায়—এমন পরিমাণ পানি যোগ করুন।
ধাপ ৩: এতে ২ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা ও ২ টেবিল-চামচ ভিনেগার মেশান।
ধাপ ৪: আঙুরগুলো আলতো করে নেড়ে ১০–১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
ধাপ ৫: এরপর ছাঁকনিতে তুলে ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
এই পদ্ধতিকে বলা যায় একটি কার্যকর ‘ভিনেগার ফ্রুট ওয়াশ’, যা আঙুরের গায়ে থাকা রাসায়নিক ও ময়লা দূর করতে সহায়ক।
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!