রোগ প্রতিরোধে প্রাকৃতিক শক্তি ‘গোল্ডেন মিল্ক’
প্রাচীন ভেষজ চিকিৎসায় হলুদের গুরুত্ব নতুন করে বলার কিছু নেই। আধুনিক গবেষণাও প্রমাণ করছে, হলুদের ভেতরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আর এই হলুদ যখন দুধের সঙ্গে মিশে যায়, তখন তৈরি হয় জনপ্রিয় ‘গোল্ডেন মিল্ক’—যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
হলুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারকিউমিন শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পিরিয়ডকালীন ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতেও কার্যকর। একই সঙ্গে নিয়মিত গোল্ডেন মিল্ক পান করলে শরীর বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ঘুমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্যও এই পানীয়টি হতে পারে প্রাকৃতিক সমাধান। গরম হলুদ দুধ মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে, ঘুম গভীর করতে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে।
শীতকালীন সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা কিংবা হালকা জ্বরের উপশমে গোল্ডেন মিল্ক বহুদিন ধরেই ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি এটি শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সহায়ক।
ত্বকের যত্নেও গোল্ডেন মিল্কের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করা, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো এবং বয়সের ছাপ ধীর করতে এই পানীয়টি উপকারী বলে মত পুষ্টিবিদদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গোল্ডেন মিল্ক পান করার সবচেয়ে ভালো সময় হলো—
রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম হলুদ দুধ
সকালে খালি পেটে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য
ঋতু পরিবর্তনের সময় নিয়মিত গ্রহণ করলে এটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা কবজ হিসেবে কাজ করে
Comment / Reply From
You May Also Like
Popular Posts
Newsletter
Subscribe to our mailing list to get the new updates!